
১. নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা):
এই আসনে ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলামের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। বাকি ৯ জনের আবেদন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
২. নীলফামারী-২ (সদর):
সদর আসনে মোট ৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ২ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তারা হলেন:
৩. নীলফামারী-৩ (জলঢাকা):
যাচাই-বাছাইয়ের দ্বিতীয় দিনে এই আসনে বড় ধাক্কা খেয়েছে জাতীয় পার্টি। এখানে মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে:
৪. নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ):
এই আসনেও ৪ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। মূলত ১ শতাংশ ভোটারের তথ্যে ত্রুটি এবং ঋণখেলাপী সংক্রান্ত জটিলতায় এসব মনোনয়নপত্র বাতিল হয়।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, অধিকাংশ স্বতন্ত্র প্রার্থীর ক্ষেত্রে ১ শতাংশ ভোটারের তথ্যে অসংগতি পাওয়া গেছে। এছাড়া হলফনামায় তথ্যের গরমিল এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ঘাটতি থাকায় এসব মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়।
যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে, তারা আগামী ৩ থেকে ৫ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন। আপিল শুনানির পর প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।